কৌশলের খেলায় বিএনপি অপরিপক্ক-কাঁচা, দুগ্ধপৌষ্য শিশু, সংকটে অবস্থা একেবারে ছেরাবেরা !!!

aaশাহদাত হোসেন সেলিম টিভি টক শো’র মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা রাজনীতিক শুক্রবার (০৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়ে রাজনীতিতে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছেন। ওই স্ট্যাটাসে তিনি পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, ‘রাজনীতির কৌশলের খেলায় বিএনপি দুগ্ধপোষ্য শিশু’।

নিচে শাহদাত হোসেন সেলিমের স্ট্যাটাস সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরা হলো-
“গেল কয়দিন ধরে আলোচনা চলচে আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপি সহ জোট ভুক্ত দলের নিবন্ধন বাতিল হবে।এটা ঠিক সংসদ নির্বাচন করতে হলে নিবন্ধন বাধ্যতামুলক।এবং পর পর দু দফা নির্বাচনে অংশ না নিলে নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।
রাজনীতি হলো কৌশলের খেলা। দাবার চাল। জিদ নয় কৌশল দিয়েই রাজনীতি মোকাবেলা করতে হয়। আর এ কৌশলের খেলায় বিএনপি অত্যান্ত অপরিপক্ক।কাঁচা,ক্ষেএ বিশেষে দুগ্ধপৌষ্য শিশু।
আর যে কোন সংকটে তো বিএনপির অবস্তা আরো করুন। একে বারে ছেরাবেরা। সহজ বিষয় কে জটিল করে তালগোল পাকিয়ে একেবারে লেজে গোবরে করতে
সিদ্বহস্ত বিএনপি।এ ক্ষেএে বিএনপির জুড়ি মেলা ভার।আর ঐতিহাসিক সিদ্বান্তহীনতা বিএনপির অন্যতম ভূষন।সকালের কাজ মধ্যরাতে করা বিএনপির ঐতিহ্য, অহংকার।
14264163_1191683554228152_4625481617856450203_nতারপরও বিএনপি আমাদের একমাএ অবলম্বন।দেশের মানুষের ও আশা আকাঙ্খার প্রতিক এ দল।জিদ ও আবেগ দিয়ে নয়, কৌশলেই এ ফ্যাসীবাদি সরকার কে মোকাবিলা করতে হবে।
বলছিলাম নিবন্ধন বাতিলের বিষয়।এ ক্ষেএে আগামী যে কোন সংসদ উপ নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দল গুলো কে অংশ নিতে হবে কৌশলের অংশ হিসাবে।ঘোষনা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই করতে ই এ নির্বাচনে অংশ গ্রহন।
এতে চাপে পড়বে নির্বাচন কমিশন।
ব্যাস কেল্লা ফতে।বিএনপি তখন ভারমুক্ত।নিবন্ধন বাতিলের জিকির তুলে জুজুর ভয় দেখিয়ে যে টেনশন সৃষ্টি করা হচ্ছে তা বুমেরাং হবে।উল্টো টেনশনে পড়ে যাবে সরকার।সরকার ও জাতীয় আন্তর্জাতিক শক্তি বিএনপি কে নির্বাচনে আনতে মরিয়া হয়ে উঠবে।মনে রাখতে হবে ভোটার বিহীন আর একটি নির্বাচন আর করতে পারবে না সরকার।
টেনশনে মাথা খারাপ হয়ে যাবে সরকারের,যদি উপ নির্বাচনের কৌশল নেয় বিএনপি ও জোট।
মনে রাখতে হবে
“টেনশন লেনেকা নেহী,দেনেকা”

লেখকঃ শাহদাত হোসেন সেলিম। বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতিতে যে দু’চারজন তরুণ রাজনীতিক তাদের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, ক্ষুরধার বক্তব্য, হৃদয়গ্রাহী উপস্থাপন ও জোরালো যুক্তি দিয়ে নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তিনি। তবে এই পরিচয়টি দিয়ে শাহদাত হোসেন সেলিমের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে ব্রাকেটবন্দি করা যাবে না। এর পেছনের গল্পটাও মোটা-মুটি সমৃদ্ধশালী।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান যখন ছাত্রদল গঠন করেন, তখন শাহদাত হোসেন সেলিম ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক। পরে চট্টগ্রাম বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হন। কিন্তু ২০০০ সালে বিএনপির প্রভাবশালী এক নেতার রোষানলে পড়লে সরে দাঁড়ান দল থেকে।

বিএনপি থেকে বেরিয়ে ২০০৬ সালে ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ এলডিপি গঠনে হাত দিলে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শাহদাত হোসেন সেলিম। দল গঠনের পর দায়িত্ব পান সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের। ২০১২ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৮ দলীয় জোটে রূপান্তরিত হয়। সেখানে এলডিপিকে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।

 
 

Send Comment